ঢাকা মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ১০, ২০২৬

Popular bangla online news portal

Janata Bank
Rupalibank

ভুলত্রুটি থাকলে ক্ষমা করবেন, আমাকে ভুলে যাবেন : বাণিজ্য উপদেষ্টা


নিউজ ডেস্ক
১৪:৫৮ - মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ১০, ২০২৬
ভুলত্রুটি থাকলে ক্ষমা করবেন, আমাকে ভুলে যাবেন : বাণিজ্য উপদেষ্টা

আমার ভুলত্রুটি থাকতেই পারে, সেজন্য ক্ষমা করবেন জানিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, আমি আগে কখনো কোনো যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় ছিলাম না। সরকার গঠনের পরপর পেশাগত জীবনে ফিরে যাব। আবারও সেই নিরিবিলি জীবনে ফিরে যেতে চাই। একটি শেষ অনুরোধ, আমাকে দয়া করে ভুলে যাবেন।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি)’ চুক্তি সই নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।


বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, গত দেড় বছর বিভিন্ন প্রশ্ন ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে সাংবাদিকরা তাকে জবাবদিহিতার মধ্যে রেখেছেন। এতে তার কাজের গতি যেমন বেড়েছে, তেমনি যেসব জায়গায় ভুল ছিল, সেগুলো সংশোধনের সুযোগও তৈরি হয়েছে।


‘সরকারে আসার সময় আমার তেমন কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। তবে চেষ্টার কোনো কমতি রাখিনি। আল্লাহর রহমতে সৎভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছি। কারও প্রতি বৈষম্য বা স্বজনপ্রীতি করিনি। সম্মিলিতভাবে আল্লাহতালা বরকত দিয়েছেন।’


তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টার দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতায় তিনি দায়িত্ব পালন করতে পেরেছেন। কোনো বিষয়ে যখনই পরামর্শ বা নির্দেশনার প্রয়োজন হয়েছে, তখনই তিনি আন্তরিকতা ও প্রজ্ঞার সঙ্গে দিকনির্দেশনা পেয়েছেন।


‘যত কিছু সম্ভব হয়েছে আমি মনে করি প্রধান উপদেষ্টা তার নির্দেশনায়। আমরা যখনই কোনো বিষয়ে উনার নির্দেশনা বা উনার গাইডেন্স কামনা করেছি উনি সকল সময়ে অসম্ভব দরদ দিয়ে এবং বুদ্ধিমত্তাকে মিলিয়ে যে ধরনের নির্দেশনা আমাদেরকে দিয়েছেন, সেগুলোকে প্রতিপালন করার চেষ্টা করেছি।’


শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ইনশাআল্লাহ নতুন সরকার গঠন হওয়ার পরে সাথে সাথে আমি আমার কর্মজীবনে ফেরত যাব। আশা করি আপনারা আমাকে ভুলে যাবেন এবং মাফ করে দেবেন। আমি ভুলে থাকতে চাই। আমি কখনোই কোনো যোগাযোগ মাধ্যমে আসিনি আগে। আমি আবার চাই আপনাদের মাধ্যমে একটি স্বনির্বন্ধ অনুরোধ করতে চাই, শেষ অনুরোধ, যে আমাকে দয়া করে ভুলে যাবেন।


ছোট খামারি ও বড় উদ্যোক্তা– উভয় পক্ষকেই অন্তর্ভুক্ত রেখে সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক নীতির পথে এগিয়েছে জানিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, এই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল কাউকে বাদ না দিয়ে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগোনো। ভবিষ্যতেও তার উত্তরসূরিরা একই ধারাবাহিকতায় কাজ করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।